গোলীয় দর্পণ: সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
এই পেজে গোলীয় দর্পণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার প্রস্তুতি ও দ্রুত রিভিশনের জন্য প্রশ্নগুলো অনুশীলন করো।
সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
কোনো প্রতিফলক তল যদি কোনো গোলকের অংশবিশেষ হয় তবে তাকে গোলীয় দর্পণ বলা হয়।
গোলীয় দর্পণ দুই প্রকার
1. উত্তল দর্পণ
2. অবতল দর্পণ
কোনো গোলীয় দর্পণের মধ্যবিন্দুকে মেরু বলা হয়।
কোনো গোলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ তার কেন্দ্রকে বক্রতা কেন্দ্র বলা হয়।
কোনো গোলীয় দর্পণ যে গোলকের অংশ সেই গোলকের ব্যাসার্ধকে ওই গোলীয় দর্পণের বক্রতা ব্যাসার্ধ বলা হয়।
কোনো গোলীয় দর্পণের পরিসীমা বৃত্তাকার। এই বৃত্তের ব্যাসকে গোলীয় দর্পণের রৈখিক উন্মেষ বলা হয়।
অবতল দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র প্রতিফলক তলের সামনে অবস্থিত।
উত্তল দর্পণের বক্রতা কেন্দ্র প্রতিফলক তলের পিছনে অবস্থিত।
অবতল দর্পণের মুখ্য ফোকাস প্রতিফলক তলের সামনে অবস্থিত।
উত্তল দর্পণের মুখ্য ফোকাস প্রতিফলক তলের পিছনে অবস্থিত।
গোলীয় দর্পণে গৌণ ফোকাস বিন্দু অসংখ্য।
গোলীয় দর্পণে আপতিত রশ্মি বক্রতা কেন্দ্র অভিমুখী হলে প্রতিফলিত রশ্মি একই পথ ধরে ফিরে যায়।
জলে নিমজ্জিত করলেও ফোকাস দৈর্ঘ্য অপরিবর্তিত থাকবে, তাই এক্ষেত্রে অবতল দর্পণটির ফোকাস দৈর্ঘ্য 10 cm -ই থাকবে।
গোলীয় দর্পণের মেরু থেকে মুখ্য ফোকাসের দূরত্বই হল ফোকাস দূরত্ব।
গোলীয় দর্পণের প্রধান অক্ষের সঙ্গে লম্ব ও মুখ্য ফোকাস বিন্দুগামী সমতলকে ফোকাস তল বলা হয়।
একটি সমতল দর্পণের বক্রতা ব্যাসার্ধ অসীম।
একটি অবতল দর্পণের সামনে কোনো বস্তুকে বক্রতা কেন্দ্রে রাখলে সমান সাইজের সদ্বিম্ব গঠিত হবে।
ক্ষুদ্র উন্মেষযুক্ত গোলীয় দর্পণে বক্রতা ব্যাসার্ধ 40 cm হলে দর্পণটির ফোকাস দৈর্ঘ্য বা 20 cm।
ক্ষুদ্র উন্মেষযুক্ত গোলীয় দর্পণে ফোকাস ও বক্রতা কেন্দ্রের মধ্যবর্তী ব্যবধান 20 cm হলে দর্পণটির ফোকাস দৈর্ঘ্য 20 cm-ই হবে।
দর্পণটির বক্রতা ব্যসার্ধ = 2 x 15 cm = 30 cm |